ষ্টাফ রিপোর্টার ,১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ (বিবিনিউজ) : ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ঢাকা,গাজীপুর,সাভার ও মানিকগঞ্জের এরিয়া অফিস, মাষ্টার এজেন্ট এবং এজেন্ট মালিকগনদের নিয়ে এক যৌথ বিজনেস রিভিউ মিটিং ও বার্ষিক বনভোজনের আয়োজন করেছেন। যা মিলন মেলা পরিনত হয়েছিল। গাজীপুর কালিয়াকৈরের চন্দ্রার পাশে সোহাগ পল্লী রির্সোটে ঢাকা ডিভিশন ২ এর উদ্দোগে দিন ব্যাপী এ মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয় ।

ঢাকা ডিভিশন-২ এর অধীনে থাকা এরিয়া অফিসের কর্মকর্তা,ঢাকা,গাজীপুর,সাভার ও মানিকগঞ্জের মাদার এজেন্ট এবং এজেন্ট মালিকগনদের নিয়ে এক যৌথ বিজনেস রিভিউ মিটিং ও বার্ষিক বনভোজনের দিন ব্যাপী মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়। দিন ব্যাপী মিলন মেলার কর্মসূচীর মধ্যে ছিল উদ্বোধন,কেক কাটা,বেলুন-পায়রা উড়ানো,লোগো সম্বলিত ড্রেস,আইডি কার্ড বিতরণ,সুইমিং,রাইড,লাকীকুপন ড্র,পিঠা উৎসব,আলোচনাসভা,মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং র্যাফেল ড্র বিজয়ী এবং সফলতাকারী এজেন্ট মালিকদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসির ঢাকা ডিভিশন-২ এর সিনিয়র রিজিওনাল ম্যানেজার(এসআরএম) বিশ্বজিৎ দেবনাথ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,প্রধান অতিথি ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসির এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান আসলাম আল ফেরদৈাস,বিশেষ অতিথি ছিলেন, কমপ্লায়েন্স ডিভিশনের প্রধান ফরহাদ মাহমুদ । এ ছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র রিজোনাল কমপ্লায়েন্স মানেজার নাছিমুল হক, সাভারের এরিয়া ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম, এজেন্ট শাখার পক্ষ্যে সাভার ব্যাংক কলোনীর এজেন্ট শাখার সিইও সিনিয়র সাংবাদিক শেখ বাশার প্রমূখ। মাষ্টার এজেন্ট এবং এজেন্ট ওনারগণ বক্তব্যে এরিয়া অফিসে এসএমই লোন অফিসার নিয়োগের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।

প্রধানঅতিথি বক্তারা বলেন, প্রত্যেক এজেন্ট ব্যাংকার ও একজন উপদেষ্টা,সামনে অনেক অফার আসছে, মাষ্টার এজেন্ট এবং এজেন্ট মালিকদের উৎসাহ-উদ্দিপনা বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচী ঘোষনা করা হয়। এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা সাধারন মানুষের কাছে পৌছে দেয়া ও সেবা মান বাড়ানো এবং এজেন্ট শাখা গুলো একাউন্ট, ডিপোজিট,লোন বাড়ানো ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিসহ উন্নয়নের লক্ষ্যে ৩ মাস পর পর রিভিউ মিটিং এবং জুনের পর জুন ক্লোজিং সভা অনুষ্টিত হয়ে আসছে। সকল মাষ্টার এজেন্ট ও এজেন্ট মালিকদের জন্য আমার দরজা খোলা।

জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে এজেন্ট মালিকদের অনেক পরিশ্রম করতে হবে। আমরা কোন গ্রাহকে আলাদা মনে করি না। কারণ সকল গ্রাহকই আমাদের ডাচ-বাংলা ব্যাংকের গ্রাহক। আপনার সকলেই ব্যাংকের পার্টনার মানি লন্ডারিং অপরাধ করা যাবে না এবং জড়িতদের সহযোগীতা বা উৎসাহিত করা যাবে না। সন্দেহবাজন গ্রাহকদের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।

সারাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা আছে সাড়ে ৬ হাজার, এজেন্ট ব্যাংককিং এরিয়া অফিস ৭৭, ব্রাঞ্চ রয়েছে ২৪০ এর অধিক,সাব- ব্রাঞ্চ আছে ৫০০, ফ্যাষ্ট ট্র্যাক রয়েছে ১৫০০,এটিএম বুথ অনেক,মোবাইল ব্যাংকিং ও রকেট এজেন্ট রয়েছে ২ লাখ পয়েন্ট ।

অতিথিরা আরো বলেন, এতো কিছু শুধু গ্রাহকদের সেবার জন্য। আমাদের রয়েছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক,যার কারনে এ ব্যাংক দেশের সেরা ব্যাংক হিসেবে গ্রাহক সেবা প্রদান করে যাচ্ছে,এখন সকল গ্রাহকদের সেবা দেয়া হচ্ছে ভিসা কার্ড এর মাধ্যমে। বর্তমান ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা ৫ কোটি। বিগত ক্যাম্পাইনে হাউজ লোন ১০% এবং টেকওভার লোন সাড়ে ৯% । যারা সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন তারা আমাদের ব্যাংকের এবং ব্যাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত নাম্বারে কল দিয়ে অভিযোগ করতে পারবেন । সভায় এরিয়া অফিসের কর্মকর্তা,মাষ্টার এজেন্ট মালিক ও এজেন্ট মালিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

র্যাফেল ড্র এর প্রথম পুরস্কার মোটরসাইকেল অর্জন করেন সাভার মাষ্টার এজেন্টের মালিক এ এস এম নাঈম মুক্তা। সভা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও র্যাফেল ড্র সম্পন্ন করে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
